মিরাজের তাগিদ মুশফিক-সাকিবদের থেকে ক্রিকেট শেখার

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৭, ২০২১
শেয়ার করুনঃ

বছরের পর বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে চলছে সিনিয়রদের কাঁধে ভর করে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলতি সিরিজও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিংয়ে দলকে বয়ে নিয়েছেন সিনিয়ররাই। প্রথম ম্যাচে ৮৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা মুশফিক, ফিফটি করেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিক করেন সেঞ্চুরি, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ আসে মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে। পরের প্রজন্মের যাদের নিয়ে অনেক আশা, তারা নিরাশ করছেন বারবার।

তরুণদের তাই দ্রুত শেখার আহ্বান জানালেন মিরাজ। তার মতে, প্রেরণা খুঁজতে দূরে তাকানোরও প্রয়োজন নেই।

“আমরা জুনিয়ররা সবসময় আমাদের সিনিয়রদের কথাই বলি। একটা সময় আমরা সবাই বিশ্বের অন্য সব দেশের খেলোয়াড়দের আমাদের আইডল মনে করতাম বা বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের আইডল মনে করতাম। তবে এখন বিশ্বমানের খেলোয়াড় আমাদের চোখের সামনেই আছে, তাদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলছি। বিশ্বমানের খেলোয়াড় আমাদের কাছেই আছে, তাদের কাছ থেকে শিখতে পারি।”

“শেষ দুই ম্যাচে আমরা ব্যাটিংয়ে তেমন একটা ভালো করিনি। আমাদের শেখার অনেক কিছুই ছিল। যেভাবে মুশফিক ভাই এবং রিয়াদ (মাহমুদউল্লাহ) ভাই জুটি গড়েছে এবং শেষ ম্যাচে মুশফিক ভাই যেভাবে খেলেছে…।”

মিরাজ উদাহরণ টানলেন গত বিশ্বকাপে সাকিবের পারফরম্যান্সের। বললেন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকের কথাও।

“শুধু এই দুই ম্যাচই না, আগের ম্যাচগুলোতে কিংবা বিশ্বকাপে সাকিব ভাই টপ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। ব্যাটিং-বোলিং দুটোতেই। তামিম ভাই, ওপেনারদের মধ্যে যারা সর্বোচ্চ রান করেছেন তাদের তালিকায় আছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৪ হাজারের বেশি রান করেছেন, এটাও অনেক বড় একটা অর্জন। আমরা তাদেরকে দেখেই শিখতে পারি।”

“টেস্টে সবচেয়ে বেশি সফল কিন্তু মুমিনুল হক ভাই। হয়তো অন্য দুই সংস্করণে উনি খেলেন না, কিন্তু যেটায় খেলেন, সেটায় তিনিই সবচেয়ে সফল। টেস্টে আমাদের হয়ে তারই সেঞ্চুরি সবচেয়ে বেশি। তার নিবেদন, তার কঠোর পরিশ্রম দেখে আমাদের জুনিয়র ক্রিকেটারদের অনেক কিছু শেখা উচিত।”

তরুণরা তাড়াতাড়ি শিখতে পারলে দলেরই মঙ্গল বলে মনে করেন ওয়ানডে বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে উঠে আসা মিরাজ।

“এগুলো আমরা চোখের সামনেই দেখছি। আমাদের সিনিয়র খেলোয়াড়রা কীভাবে কাজ করে, মনোযোগী থাকে, কীভাবে ক্রিকেট খেলে আমরা শিখতে পারি। এটা আমরা জুনিয়ররা যত তাড়াতাড়ি শিখতে পারব তত তাড়াতাড়ি আমরা একটা ভালো দল হয়ে উঠব। আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে আমরা আরও ভালো ক্রিকেটার হতে পারব।”